অনেকেই পীর মুরশিদ / তারিকা এসব বিষয়ে বিভীষিকার ভিতরে থাকেন। সত্য বলতে বাংলাদেশের ৯০% পীর মুরশিদ হলো ভন্ড আর 5% মানুষের সাহায্য করে, কেউ কেউ মানুষকে শেখায়। বাকি ৫% প্রকাশ্যে খুব কম আসে বা আসে না বললেই চলে বা মানুষের উপকার করে আরালে এবং জগতের ছোট খাটো সমস্যা গুলো আল্লাহর ইচ্ছায় ঠিক করে জগতের মধ্যে ব্যালেন্স বজায় রাখে মাঝে মাঝে ভালো cultivator কেও গাইড করে। আজকে জানতে পারবেন পীর মুরশিদ কারা এবং তরিকা কি এগুলোর কাজ কি এবং কিভাবে কাজ করে আশা করি এগুলো নিয়ে আর কোন বিভীষিকা থাকবে না।
আপনারা আশে পাশে তাকালেই বুঝতে পারবেন বাংলাদেশের পীর মুরশিদ নামের ভন্ড গুলো মানুষকে কিভাবে manipulation করে তাদের গোলাম বানিয়ে রাখার মতো ব্যবহার করে ওরা আসলে মানুষকে বোঝায় ওরাই সৃষ্টিকর্তা। আর এগুলো বিশ্বাস করার জন্য ওরা কিছু কাজও করে সেটা হলো কোন মানুষ তার জিবনে কি কি করেছে অতীতে এগুলো বলে দেয়া। maximum ভন্ড পীর মুরশিদ গুলো এগুলো করতে পারে। এর কারন হলো ওরা বাবা, দাদার আমলের কিছু লোয়ার জ্বিন বংশগত ভাবে পেয়ে থাকে যেগুলো ওদের এই কাজ গুলো করে থাকে আর এই কাজের জন্য ওরা পশু পাখি,মানুষ বলিও নেই অনেকএর থেকে তবে এমন পীর মুরশিদ এখন খুব কমই আছে যেগুলো আছে সেগুলো মূলত ট্রান্স স্টেট এ যেতে পারে। ট্রান্স স্টেট এ গেলে এসব লোয়ার frequency negative entity দের সাথে দেখা বা কথা শোনা যায় এটা যে কোন মানুষ ১৫ দিন ভালো ভাবে অনুশীলন করলেই করতে পারবে। এটা কিছুটা এস্ট্রাল ট্রাভেল এর মতো। এমন ট্রান্স স্টেট এ গিয়ে ওরা যে জ্বীন গুলোর সাথে কথা বলে বা দেখা করে এগুলো মূলত অত্যান্ত নিম্ন শ্রেণির জ্বিন বা স্পিরিচুয়াল নেগেটিভ বিং এগুলো মানুষকে manipulation করে বেশি মিথ্যা কথা বলে মিথ্যা নলেজ দেয়। মানুষের অতীত বলে দিতে পারে।
মানুষের অতীত বলে দেয়াও ওদের জন্য অনেক সহজ কারন সব মানুষের সাথে একটা করে কারিন শয়তান জ্বিন থাকে। সেই কারিন ওই মানুষটার সারাজীবন এর অতীত এর স্মৃতি ধরে রাখে আর শয়তান লোয়ার লেভেল এর জ্বিন গুলো মূলত এই কারিন জ্বীন এর সাথে যোগাযোগ করে মানুষের অতীত যেনে নেয় তার পর পীর মুরশিদ কে বলে দেয় তখন ওই মানুষটা মনে করে ওই পীর না জানি কত বড় আধ্যাত্মিক মানুষ।
আসলে পীরদের এইসব লোয়ার জ্বিনদের তেমন কোন ক্ষমতা নেই এরা মানুষের কোন ক্ষতি করতে পারে না ডাইরেক্ট ভাবে ওরা শুধু মানুষের কারিন জ্বীন এর মাধ্যমে অতীত বলতে পারে আর মাঝে মাঝে ইনফরমেশন কালেক্ট করতে পারে তাও খুব রেয়ার। ভবিষ্যৎ বলা ওদের মিথ্যা কথা। দশটা বললে একটা সঠিক হয় বা মিথ্যাটাকেই সত্যি বানানোর জন্য যা করতে হয় তাই করে।
ওরা মানুষকে একটা ধোকায় রাখে যেটাকে তারা ইলহাম বলে আসলে ওটা শয়তান জ্বিনের কাজ। ওলি আউলিয়ারাও আল্লাহর ইলহাম পায় না সহজে আর এরা তো সাধারন মানুষ। আল্লাহর ইলহাম পেতে হলে মানুষকে কমপক্ষে মোয়াক্কেল লেভেলে যেতে হবে। মোয়াক্কেল লেভেলে যাওয়া মানে মোয়াক্কেল হওয়া না। ওরা মূলত কিছু জিকির এর মাধ্যমে শয়তান জ্বিনকে মানুষের ভেতরে ঢোকার রাস্তা বানিয়ে দেয় বা যেগাযোগ এর রাস্তা করে দেয়। যেন শয়তান জ্বিন গুলো ওই মানুষকেও manipulation করতে পারে বা ট্রান্স স্টেট এ শয়তান জ্বিন এর সাথে কানেক্ট করিয়ে দেয়।
বাংলাদেশে এসব ভন্ডদের মধ্যে একটা হলো রায়েদ কুতুবিয়া কলন্দর বাটপার এর পেজ [ https://www.facebook.com/share/1GZskZV2vf/ ]
ও মূলত মানুষকে চরম লেভেলের ধোকায় রাখে ও মনে করে ও নিজেই সৃষ্টিকর্তা। ও শুধু ট্রান্স স্টেট এ গিয়ে নেগেটিভ কিছু লোয়ার লেভেল এর কাফের হিন্দু জ্বীনদের সাথে কথা বলতে পারে ( যেমন কালি,মহাদেব,বিভিন্ন সাপের জ্বিন বা স্পিরিচুয়াল রেস) যেগুলো মানুষের কোন উপকার তো করেই না উল্টো ধোকায় রাখে সুযোগ বুঝে ক্ষতি করে। ওর কথা শুনলে যে কেউ বুঝবে ও মাথায় সমস্যা আছে। ও মেয়েদের ফাদে ফেলে বেশি অনেক মেয়ের সাথেই নাকি উল্টা পাল্টা কাজ করছে। আমার কাছে এমন একটা মেয়ের রিপোর্ট আসছে। ও জানে মেয়েদের এইসব ধোকাবাজি কথা বলে manipulate করা সহজ অনেক মেয়েদের ও এভাবে ফাদে ফেলেছে ওর কাজ মূলত মেয়ের বোকা বানিয়ে তাদের সাথে অসামাজিক কাজ করা আর মানুষের টাকা পয়সা হাতানো। ও এটা indirectly করে মানুষকে বুঝতে দেয় না ওর তো মানুষের কাছে জমি জমা চাওয়ার ও রেকর্ড আছে।
যাইহোক আপনারা এসব ভন্ডদের থেকে দুরে থাকবেন এরা মানুষের উপকার এর থেকে অপকার বেশি করে। ওদের কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতা নেই থাকলে এমন কাজ করতো না। আধ্যাত্মিক মানুষের কাজ এমন না।
❄️ এখন আসি তরিকা বিষয়ে,তরিকা মূলত কি? তরিকা কিভাবে আসছে? এর কাজ কি?
তরিকার মানে হলে পথ,রাস্তা বা নিয়ম। Cultivation বা আত্মশুদ্ধি অর্জন করে আল্লাহর নৈকট্য ও ভালোবাসা লাভের বিশেষ আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতিকেই তরিকা বলে।
এখন এই Cultivation বা আত্মশুদ্ধি অর্জন এর রাস্তা আবার ৪ রকমের:
কাদেরিয়া
চিশতিয়া
নকশবন্দিয়া
সোহরাওয়ার্দিয়া
এগুলো কোন নিয়ম না এগুলো সব সুফি সাধকদের নাম
তারা যে নিয়ম বা রাস্তা ফলো করেছে দেখেই নিময়গুলো তাদের নামে বেশি পরিচিত
আসলে এই নিয়ম গুলে অনেকে অনেক নামে চেনে।
এটাতে তরিকা বলে কঠিন না বানিয়ে নিয়ম বলাই ভালো
এখন আসি এই নিয়ম গুলোর বিষয়ে:
📌 কাদেরিয়া: জিকির ও সুনির্দিষ্ট ইবাদতের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া।
📌 চিশতিয়া: সেবামূলক কাজ, আধ্যাত্মিক সংগীত ও প্রেমময় ধ্যানের মাধ্যমে সৃষ্টিকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া।
📌 নকশবন্দিয়া: নীরবে মনে মনে জিকির এবং শরিয়তের প্রতিটি সুন্নতের নিখুঁত অনুসরনের মাধ্যমে নিরবে আত্মশুদ্ধি করে সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া।
📌 সোহরাওয়ার্দিয়া: বাহ্যিক শরিয়তের কঠোর নিয়ম পালন করে একাকী তপস্যা এবং জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে নফস প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ করে সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া। এটা মূলত কুন্ডলীনির নিময়ই।
আসলে এই জিনিস গুলো যত সহজ মনে হয় আসলেও এতো সহজ না এগুলোর ভেরত লুকিয়ে আছে হাজারো নিয়ম হাজারো লুকানো মেথড যে জিনিস গুলো কোন সঠিক গুরুর থেকে না জানলে সারাজীবন জিকির করেই যাবেন কিন্তুু কোন কাজ হবে না। হবে বাট অনেক সময় লাগবে এতো দিন সাধারন মানুষ বাচবে না। আগের দিনের মানুষের আয়ু বেশি ছিল তাই তারা কোন মেথড বা লুপহোল ছাড়াই বেশি আয়ু হবার কারনে ওলি আউলিয়া লেভেলে যেতে পেরেছে। মানুষের আয়ু যেমন কমেছে তেমন cultivation প্রসেস টাইম ও কমানোর বহু গোপন মেথড ইনফরমেশন আর লুপহোল তৈরি হয়েছে এগুলো এতোই গোপন জিনিস যা সাধারন মানুষ খুব কমই জানে। আপনি লাইফে সঠিক গুরু না পেলে ভন্ড পীর মুরশিদ এর হাতে পরলে আপনার জীবন জিকির করতে করতেই যাবে কোন ফল তো পাবেনই না। উল্টো শরীরের ক্ষতি হবে।
আমি এমন একজন লোকের সাথে কথা বলেছি সে এমন ভন্ড পীর এর পাল্লায় পরে নেগেটিভ ভাবে কিছু জিকির করতো এই জন্য তার শরীরে শয়তার জ্বিন বাসা বেধেছে পীর এটাকে ইলহাম বলে। ওই শয়তান জ্বিন এর জন্য ওই ব্যাক্তির লাইফ নাকি এখন নস্ট হয়ে যাচ্ছে লাইফে নানা রকম সমস্যা বডিতে মারাত্বক ব্যাথা তো আছেই।
এইসব ভন্ড পীর মুরশিদ জানেই না তরিকা আসলে কি? এগুলোর কাজ কি? এগুলো কাজ করে কিভাবে? ওরা ওদের বাবা দাদার থেকে হালকা কিছু শিখে ওদের বংসের মতোই মানুষকে বোকা বানাতে মাঠে নেমে পরেছে আর মানুষ ও ফাদে পরে। একজন ভালো এবং সঠিক পীর কখনোই আপনাকে গোলাম বানিয়ে রাখবে না, তার পা ধরে বসে থাকতে বলবে না, সেজদা করতে বলবে না, তার সামনে মাথানত করতে বলবে না [ সেজদা আর মাথানত শুধু সৃষ্টিকর্তাকেই করা যাবে অন্য কাউকে না ] তাকে সৃষ্টিকর্তার সমতুল্য মনে করতে বলবে না। গুরু হলো শিক্ষক তার কাজ শিক্ষা দেয়া। উল্টাপাল্টা কাজ বা অসামাজিক কাজ করা না। সে শুধু আপনাকে শেখাবে আর নলেজ দেবে আর বিপদে সাহায্য করবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
আমি নিজে টাকা নিয়ে শেখালেও ভালো খারাপ মানুষ বুঝে আমার স্টুডেন্ট বানাই। নেগেটিভ মন মানসিকতার মানুষের আমি শেখাই না লক্ষ টাকা দিলেও আমি ফ্রিতেও আনেককে শেখাই ভালো মানুষ বুঝে। আর এখন ফ্রিতে এতো মানুষকে শেখানোর মতো পর্যাপ্ত সময় আমার কাছে নেই তাই দয়া করে কেউ আর ফ্রিতে শেখার জন্য যোগাযোগ করবেন না। এবং যখন তখন কল করবেন না। আমি নিজেও অনেক স্পিরিচুয়াল কাজে ব্যাস্ত থাকি। তাই যোগাযোগ করলে আগে মেসেজ বা ভয়েজ মেসেজ করবেন আমি সময় পেলে রিপ্লাই দেব।
আরো বহু স্পিরিচুয়াল অজানা জিনিস শিখতে এবং জানতে কোর্সে জয়েন করার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আপনি একজন গুরুর থেকে যেমন গাইডেন্স পাবার দরকার তার থেকে বেশি পাবেন আশা করি।
যোগাযোগ:
what'sapp: 01836608864
What'sapp: https://wa.me/8801836608864
what’sapp channel এ জয়েন করুনঃ https://whatsapp.com/channel/0029Vb8udkI0VycKsqRIku46
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট : https://www.hiddenworldcourse.xyz
ফেসবুক পেজ
https://www.facebook.com/share/19LTFjodJ4/
ফেসবুক গ্রুপ:
