অপ্সরা সাধনা এবং রহস্য - ১



অনেকেই অপ্সরা সাধনা কে শুধু ধনী হবার এবং যৌন সম্পর্কের বস্তুু মনে করেন। আসলে এই ধারনা টা একদমই ভুল। কিন্তুু এটা ঠিক যে আপনি অপ্সরা বা পরী সাধনা করে সফল হলে তারা আপনার জগতের ৯৯% ইচ্ছে পূরন করার ক্ষমতা রাখে। এমন কি সৃষ্টিকর্তার দেয়া আপনার ভেতরের লক করা শক্তি সহজেই আনলক করতে এবং আপনার life span বাড়ানোর ক্ষমতা আনলক করতে পারে সহজেই। যেটা আপনি নিজে নিজে করতে গেলে ১/২ মাস থেকে ১/২ বছর লাগে। 


তাই অপ্সরা সাধনা কে সব সময় স্পিরিচুয়াল বন্ধু ভেবে সাধনা করা উচিৎ নাহলে সমস্যায় পরে যাবেন। পর্যায় ক্রমে অপ্সরা সাধনার বিষয়ে আরো জানতে পারবেনঃ


📌 অপ্সরা কারা?


এটার উত্তর একটু পর পাবেন নিচে।


📌 অপ্সরার সংখ্যা কত?


উ: অপ্সরার সংখ্যা মানুষের মতই অগনিত বা মানুষের থেকেও বেশি। ওদের বিভিন্ন রেস আছে বিভিন্ন সমাজ ব্যবস্থা আছে নিয়ম আছে। কিছু কিছু অপ্সরা রেস দলবেধে পৃথিবীর প্রকৃতিতেই থাকে। তবে বেশির ভাগই লুকানে ডাইমেনশন বা তাদের নিজস্ব ডোমেইন এ থাকে।


📌 অপ্সরা সাধনা বা যোগাযোগ মানুষ কেন করে?


উ: আধ্যাত্মিক এবং জাগতিক উন্নতির জন্য


📌 এদের ক্ষমতা কি কি?


📌 ১ দিনে বা ৫/৭ দিনে কি অপ্সরা সাধনা করা যায় বা সফল হয়?


উ: করা যায় এগুলোর গোপন মেথড আছে যা সবাই জানে না এবং তখন আপনার উপর চাপ বাড়বে আপনি extra চাপ নিতে পারলে আর গোপন মেথড আর ট্রিকস কাজে লাগাতে পারলে ১ দিন বা ৫/৭ দিনে অপ্সরা সাধনা করা বা সফল হওয়া কোন বিষয়ই না।


📌 অপ্সরা সাধনা করতে কি কি লাগে?


উ: তেমন কিছুই লাগে না শুধু কিছু মেথড, গোপন ইনফরমেশন, ট্রিকস, পরিস্কার সুগন্ধময় পরিবেশ, অপ্সরা যন্ত্র হলেই যথেষ্ট। 


📌 অপ্সরা সাধনা করা দরকার কেন?


জাগতিক এবং মানসিক ভাবে এগিয়ে থাকার জন্য।


📌 অপ্সরা সাধনা সফল হলে একজন মানুষ এর কি কি উন্নতি হয়?


আলাদিনের চেরাগ পেলে যা হয় তেমনই। শুনতে আজব মনে হলেও এটাই সত্য অনেক সেলিব্রেটিরাই অপ্সরা সাধনা করে টপ লেভেলে গেছেন। 


📌 অপ্সরা সাধনা করতে কি কি বিষয়ে সর্তক থাকা দরকার।


উ: অনেক বিষয়েই সর্তক থাকা দরকার যা একজন ভালো গুরুর থেকেই শিখতে পারবেন।


📌 অপ্সরা সাধনা কিভাবে করে?


অপ্সরা সাধনা করতে গোপন মেথড, ট্রিকস আর ইনফরমেশন জানা জরুরি নাহলে পিশাচ এর পাল্লায় পরতে পারেন। তাই ভালো একজন গুরুর সার্নিধ্যে অপ্সরা সাধনা করা প্রয়োজন।


📌 অপ্সরা সাধনা স্পিরিচুয়াল এবং বৈজ্ঞানিক ভাবে কাজ করে কিভাবে?


উ: এটাও খুবই Confidential জিনিস যা সাধারন মানুষ জানলে নেগেটিভ ওয়েতে কাজে লাগাতে পারে তাই এগুলো গোপন রাখা হয়। ইন্টারনেট এ যত নিয়ম আছে এগুলো দিয়ে অপ্সরা সাধনা সফল হওয়া যায় না কখনোই গুরুরা আসল বিষয় গুলো তাদের কাছেই গোপন রাখেন ভালো স্টুডেন্ট ছাড়া শেখায় না।



❄️ অপ্সরা কারা?


আপনি যেনে অবাক হতে পারেন যে অপ্সরা এবং পরীর মাঝে তেমন কোন পার্থক্য নেই। এরা বিভিন্ন স্পিরিচুয়াল রেসের ফিমেল ফ্রম। অপ্সরা এবং পরী মানুষের মতোই একটা রেস। বাট পার্থক্য একটাই ওরা ভিন্ন ইলিমেন্ট দিয়ে তৈরি এবং জন্মের সময়ই বিশেষ কিছু ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।


মানুষ যেমন Human Race তেমনই অপ্সরা ও একটা Race বাট অপ্সরা জ্বিন এর Race এর মধ্যে পরে নাকি অন্য স্পিরিচুয়াল Race এর মধ্যে পরে এটা নিয়ে অনেক মতভেদ আছে।


কারন সৃষ্টিকর্তা Human আর Jinn Race এর আগেও কিছু অবাধ্য Race পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল। যেমন Hinn,Binn,Timm,Rimm,jann,Jinn, Human এগুলো ছাড়াও এখন পর্যন্ত আরো বহু অগনিত Hybrid Race বর্তমানে আছে। আমরা যাদের এলিয়েন বলি তারা আসলে এই সব Race এরই কোন না কোন Hybrid Race.


এখন বলতে পারেন Hybrid Race কি? Hybrid Race বলতে যখন কোন রেস এর ফিমেল বা মেল এর সাথে ভিন্ন কোন মেল বা ফিমেল এর মিলনে কোন সন্তান জন্ম হয় সেই সন্তানই hubrid race আর এই hybrid race এ গুলো maximum time এই খুব বেশি পাওয়ারফুল হয়। আমার অনেক রেস জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে নিজের রেস এর dna অন্য রেস বা জগতের কোন জীব এর dna এর সাথে মিলিয়ে নতুন একটি hybrid race বা পাওয়ারফুল স্পিরিচুয়াল বিং তৈরি করে। আরো বহু গোপন বিষয় আছে এখানে।


এই সব স্পিরিচুয়াল রেস গুলো শুধু জেনেটিক ভাবেই শক্তি শালী না একেকটা রেস একেক দিক দিয়ে শক্তিশালী কোনোটা scientifically, কোনোটা স্পিরিচুয়ালি, কোনোটা প্রযুক্তিগত ভাবে। তবে তাদের শক্তি বারানোর মূল উৎস হলো Cultivation. 


কিছু কিছু আদিম রেস এর মেম্বার রা cultivation করে তাদের শক্তি এতোটাই বাড়িয়েছে যে তারা জগতের ৫০% জিনিসই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এদের মধ্যে আছে হিন্দু ধর্মের maximum দেবতারা। ঠিক শুনেছেন হিন্দু ধর্মে যেসব নেগেটিভ স্পিরিচুয়াল বিং বা দেবতা আছে তারা কোন গড না তারা এক একটা হায়ার লেভেল এর Cultivator! 


এখন বলতে পারেন cultivator মানে কি? Cultivator মানে যখন কোন Human race বা স্পিরিচুয়াল রেস সৃষ্টিকর্তার frequency এর সাথে মিলিত হতে পারে তখন তারা মহাজগতের থেকে energy তাদের শরীরে absorb করার ক্ষমতা পেয়ে যায় এভাবে যত বেশি ডিভাইন energy বডিতে absorb করতে পারবে তত বেশি তার frequency higher হবে সে higher dimension এ ডিভাইন বডির জন্য ইন্টার করতে পারবে আর ডিভাইন বডি আর higher frequency এর জন্য তার বয়স বাড়ার গতি খুব বেশি ধীর হয়ে যাবে এর মানে সে যত বেশি higher frequency তে যাবে তার life span তত বাড়াবে আর তত বেশি জগতের Law গুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ পাবে। যেমন সময় নিয়ন্ত্রণ, বাতাস নিয়ন্ত্রণ, আগুন,পানি নিয়ন্ত্রণ, সময় বাকানো,multiverse travel, teleportation, time travel, এমকি ডাইমেনশন নিয়ন্ত্রণ এছাড়া আরো অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ পাবে। আপনি কিছু হিন্দু ধর্মের কিছু দেবতাদের ক্ষমতা দেখলেই বুঝবেন আসলে একজন মানুষ cultivation করে কতটা পাওয়ারফুল হতে পারে। 


তাহলে বলতে পারেন সবকিছুর উপর নিয়ন্ত্রণ পেলে সেই তো গড হয়ে যাবে? আসলে বিষয় টা তেমন না সে এতো কিছু করার পর ও মাত্র ৫০% বা ৬০% নিয়ন্ত্রণ পাবে কারন সৃষ্টিকর্তার সারভেন্ট বা angel জগতের সব কোনায় কোনায় পাহাড়া দিচ্ছে আর এবং সারভেন্ট বা angel দের শক্তি যে কোন powerfull cultivator এর থেকে বেশি। তাই সব কিছু নিয়মের মধ্যে থাকে সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা ছাড়া কিছুই হয় না। 

সব রেসেরই কমবেশি সংখক Cultivator higher frequency অর্জন করে বিভিন্ন ডাইমেনশনে অবস্থান করছে। কোন সাধারন মানুষ যদি ওই higher frequency ডাইমেনশন বা ওই স্পিরিচুয়াল বিং এর সংস্পর্শে যায় তাহলে তার বডি frequency ওই হায়ার frequency এর সাথে match না হবার কারনে তার সময় ও আর বয়স ও ধীর গতি হয়ে যায় এই জন্য হিন্দু ধর্মে এমন অনেক ঘটনাই আছে যেখানে শোনা যায় কোন মানুষ দেবতাদের সাথে দেখা করতে গেছে ভিন্ন ডাইমেনশনে মাত্র ২০/৩০ মিনিট এর জন্য বাট পৃথিবীতে এসে দেখে কয়েকযুগ পার হয়ে গেছে। যারা cultivation করে পাওয়াফুল হলে পজিটিভ থাকে তারা সৃষ্টিকর্তার indirectly ইচ্ছায় জগতের ছোট খাটো সমস্যা গুলো সমাধান করে এবং বিভিন্ন রেসকে সাহায্য করে জগতের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সহযোগিতা করে। এদের মধ্যে মনি ঋষি বা ওলি আউলিয়া, মোয়াক্কেল রাও আছে। হিন্দু ধর্মে সব cultivator দেবতা নেগেটিভ তা না ভালো ও আছে বাট কিছু মানুষ তাদের দেবতা মনে করে আসছে আদিম কাল থেকে পুজা করে এটা আসলে মানুষের ভুল।


আসলে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিকর্তাও এক জন সব ধর্মের মতো বাট এইসব নেগেটিভ কিছু স্পিরিচুয়াল বিং আর মানুষের ভুল ধারনার কারনে পুরো ধর্মটাই বিকৃত হয়ে গেছে। একেক সমাজ একেক স্পিরিচুয়াল cultivator কে দেবতা মনে করে বা পুজা করে এটা আসলেই ভুল। 

সব ধর্মের মানুষের বা সব স্পিরিচুয়াল বিং দের সৃষ্টিকর্তা আসলে একক একজনই। 

মানুষ তাকে বিভিন্ন নামে ডাকে তার মানে এই না যে সে আলাদা। পানি এক হলেও পানিকে কেউ জল বলে কেউ water বলে কেউ সু বলে তার মানে এই না যে পানি আলাদা কিছু। 

পৃথিবীতে অনেক ধর্ম থাকার একটাই কারন তা হলো সৃষ্টিকর্তা Human race আর স্পিরিচুয়াল রেস কে ফ্রি ইউল বা ইচ্ছা শক্তি দিয়েছে তাকে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে চেনার। কোন angel বা ফেরেস্তাকে ফ্রি ইউল বা ইচ্ছা শক্তি দেয়া হয় নি। যদি ফ্রি ইউল বা ইচ্ছা শক্তি দেয়া না হতো তাহলে এতো ধর্ম থাকতো না পৃথিবীতে একটাই থাকতো ধর্ম। কুন্ডলিনী আর লতিফা ও সেইম। নিয়ম ভিন্ন হলেও উদ্দেশ্য এক সৃষ্টিকর্তার frequency এর সাথে কানেক্ট হওয়া। সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ফ্রি ইউল বা ইচ্ছা শক্তি দিয়েছে তার সাথে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে কানেক্ট হবার। বাট এই কানেক্ট হবার ও অনেক নিয়ম আছে অনেক মেথড আছে গোপন বিষয় আছে যা সাধারন মানুষের হাতে পরলে আরো বেশি নেগেটিভ cultivator এর শুচনা হবে তাই এগুলো গুরুরা সব সময় গোপন রাখে। এগুলো মহাজগতের ১০% ইনফরমেশন বলা যায় আরো বহু স্পিরিচুয়াল গোপন ইনফরমেশন আছে। যা সাধারন মানুষ জানে না।


আমি নিজেও ভালো মানুষ না হলে আমার স্টুডেন্ট করি না। 

আমার কাছে শিখতে হলে আপনার মন পবিত্র করতে হবে আগে। চিন্তা ভাবনা পজিটিভ রাখতে হবে। 


পৃথিবীতে খুব কম মানুষই আছে যাদের থেকে এগুলো শিখতে পারবেন এমন কিছু শেখার সুযোগ মানুষ ১/২ লাখ টাকা দিয়েও পায় না আমি আমার মূল্যবান সময় ব্যায় করে আপনাকে শেখাবো তার জন্য এটা ছোট একটা হাদিয়া এটা কোন বিষয় না। আমার কাছে শিখলে আমাকে গুরু বা মাস্টার বলতে হবে।




আরো বহু স্পিরিচুয়াল অজানা জিনিস শিখতে এবং জানতে কোর্সে জয়েন করার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আপনি একজন গুরুর থেকে যেমন গাইডেন্স পাবার দরকার তার থেকে বেশি পাবেন আশা করি।

যোগাযোগ:
what'sapp: 01836608864
What'sapp: https://wa.me/8801836608864

what’sapp channel এ জয়েন করুনঃ https://whatsapp.com/channel/0029Vb8udkI0VycKsqRIku46


অফিশিয়াল ওয়েবসাইট : https://www.hiddenworldcourse.xyz

ফেসবুক পেজ

https://www.facebook.com/share/19LTFjodJ4/

ফেসবুক গ্রুপ:

https://www.facebook.com/share/g/1UgX8fieV5/
Previous Post Next Post