বর্তমানে কুন্ডলীনি নিয়ে অনেক মানুষের ভুল ধারনা জন্মে গেছে কিছু ভন্ড পীর মুরশিদের কারনে। ভন্ড পীর গুলো মানুষকে বলে বা বোঝায় কুন্ডলীনি মানে হলো [ কালী, মহাদেব, নাগ, বিষ্ণু, মহাবিষ্ণ ] এই ধরনের নেগেটিভ কিছু শয়তান হাইব্রিড জ্বীন বা স্পিরিচুয়াল বিং কে নিজের শরীরে ডোকার রাস্তা বানিয়ে দেয়া যেন এসব নেগেটিভ বিং গুলো মানুষকে ইলহাম এর ধোকা দিয়ে বিপথে নিতে পারে।
আসলে কুন্ডলীনি জাগ্রত করা মানে কোন শয়তান জ্বিন কে শরীরে ডুকতে দেয়া না।
সহজ কথায় কুন্ডলীনি জাগ্রত করার মানে হলো বিভিন্ন ইলিমেন্ট যেমন: মাটি,পানি,বায়ু,আগুন,স্পিরিচুয়াল ফ্রিকুয়েন্সীর এনার্জি ডিকোড করার ফিল্টার গুলো জাগ্রত করা।
ঠিকই শুনেছেন আমাদের শরীরের কুন্ডলীনির প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন ইলিমেন্ট আর স্পিরিচুয়াল ফ্রিকুয়েন্সী ফিল্টার করে আমাদের ব্রেন কে দেখানো। যে কাজ গুলো আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয় গুলো করতে পারে না। কারন পঞ্চ ইন্দ্রিয় গুলো শুধু ফিজিক্যাল ওয়াল্ড এর ফ্রিকুয়েন্সী ফিল্টার করে আমাদের ব্রেন কে দেখাতে পারে, হায়ার ডাইমেনশনাল এনার্জি ফ্রিকুয়েন্সী ফিল্টার করতে পারে না। স্পিরিচুয়াল এনার্জি এবং ইলিমেন্ট এনার্জি ফিল্টার করা ছাড়াও কুন্ডলীনির আরো কাজ আছে যেমন: স্পিরিচুয়াল এনার্জি স্টোর করা, স্পিরিচুয়াল এনার্জি amplify করা, স্পিরিচুয়াল এনার্জি রিসিভ করা,বডি সেলের ফ্রিকুয়েন্সী বৃদ্ধি করা, বডিকে হায়ার প্রটেকশনে রাখা, হায়ার ডাইমেনশনাল এনার্জি ফিল্টার তৈরি করা ইত্যাদি আরো অনেক কাজ করে। আলাদা আলাদা চক্র গুলো আলাদা আলাদা ইলিমেন্ট ফিল্টার এর কাজ করে।
সব মানুষের শরীরে প্রায় হাজার হাজার স্পিরিচুয়াল নালী বা নার্ভ ছড়িয়ে আছে এগুলোর মাধ্যমে আমাদের শরীরে স্পিরিচুয়াল এনার্জি চলাচল করে। এসব স্পিরিচুয়াল নালী বা নার্ভ গুলোর মধ্যে প্রধান প্রধান নালীগুলো একে অপরকে ক্রস করে, ঠিক সেখানেই এক একটি 'চক্র' তৈরি হয়। মানবদেহে হাজারো ছোট বড় চক্র আছে এই জন্য কুন্ডলীনি আর লতিফা চক্র গুলোর পজিশন এর মধ্যে এতো পার্থক্য। মুলত লতিফা আর কুন্ডলীনি চক্র গুলো একই জিনিস। আর এদের কাজও একই শুধু একটিভ করার মেথড গুলো ভিন্ন ভিন্ন যে কোন মানুষ এসব ইলিমেন্টাল চক্র ফিল্টার গুলো ওপেন করতে পারলে সে তার ব্রেন এর কমান্ড দিয়ে বা হাতের আঙ্গুলের ইশারায় বিভিন্ন ইলিমেন্ট যেমন মাটি,পানি,বায়ু, আগুন ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ এবং তৈরি করা ক্ষমতা অর্জন করে, এছারাও হায়ার ডাইমেনশনে চলাচল করা, টেলিপোর্টেশন, মানুষের মাইন্ড রিড করা Aura read করা সহ আরো অনেক কিছু করার ক্ষমতা অর্জন করে যা বিভিন্ন মনি ঋষি এবং ওলি আউলিয়ারা করেছে। এসব চক্র গুলো ওপেন করলেই সব কিছু করা যাবে এমন না, সবকিছু করার জন্য চক্র গুলোর ক্ষমতা বা লেভেল বাড়াতে হবে বড় বড় কাজ গুলো করার জন্য। চক্রের লেভেল বা কক্ষমতা বাড়ানোর জন্যও বিভিন্ন গোপন মেথড আর লুপহোল আছে। আর এসব চক্র গুলোও ওপেন করার জন্যও বিভিন্ন গোপন মেথড আর লুপহোল আছে। এখানে আরো বহু গোপন জিনিস আছে যা সাধারন মানুষের ধারনার বাইরে। কোন মানুষ ভুল ভাবে বা না জেনে এসব চক্র বা লতিফা ওপেন পেন করতে গেলে তারা তার শরীরে শয়তান জ্বিন প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ক্ষতি সাধন করে, শয়তানি ভুল ইলহাম এর ধোকা দেয়, শরীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মানুষকে পাগল বানিয়ে দেয়, ক্ষতি সাধন করে। তাই সঠিক গুরুর দিক নির্দেশনা ছাড়া এগুলো করা জীবনের ঝুকি হতে পারে।
কিছু ভন্ড পীর মনে করে কুন্ডলীনি চক্র বা লতিফা ওপেন করা মানে শয়তান জ্বিন কে শরীরে প্রবেশ করিয়ে শয়তান এর ইলহাম শোনা। ওরা আসলে শয়তানের ইলহামকেই চক্র ওপেন করা মনে করে। সৃষ্টিকর্তার ইলহাম পাওয়া এতো সহজ না এটা সবাই পায় না। কোন মানুষ যে শুধু চক্র ওপেন করলেই সৃষ্টিকর্তার ইলহাম পাবে এমন না। সৃষ্টিকর্তার ইলহাম পাওয়া মানুষ কখনো এতো ছোট খাটো কাজ করে না তারা সাধারণ মানুষের থেকে নিজেকে হাইড করে রাখে। শুধু দরকারের সময়ই মানুষকে সাহায্য করে তাও আবার সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় উধারন সরুপ হযরত খিজির (আ:), গৌতম বুদ্ধ, ঋষি বিশ্বামিত্র।
আরো বহু স্পিরিচুয়াল অজানা জিনিস শিখতে এবং জানতে কোর্সে জয়েন করার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আপনি একজন গুরুর থেকে যেমন গাইডেন্স পাবার দরকার তার থেকেও বেশি পাবেন আশা করি।
যোগাযোগ:
what'sapp: 01836608864
What'sapp: https://wa.me/8801836608864
what’sapp channel এ জয়েন করুনঃ https://whatsapp.com/channel/0029Vb8udkI0VycKsqRIku46
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট : https://www.hiddenworldcourse.xyz
ফেসবুক পেজ
https://www.facebook.com/share/19LTFjodJ4/
ফেসবুক গ্রুপ:
https://www.facebook.com/share/g/1UgX8fieV5/


