অনেকেই শুনে থাকবেন মোয়াক্কেল এর বিষয়ে। তবে বেশির ভাগ মানুষই মোয়াক্কেল আর ফেরেস্তা বা angel দের মিলিয়ে ফেলে এক সাথে আবার অনেকে একই মনে করে।
আসলে ফেরেস্তা বা angel এবং মোয়াক্কেল সম্পুর্ন আলাদা জিনিস। মোয়াক্কেল বলতে বোঝায়: সৃষ্টিকর্তা তাঁর কিছু বিশেষ বান্দাকে [ জ্বীন, মানুষ বা অন্য স্পিরিচুয়াল রেস যারা cultivate করে লেভেল আপ করেছে ] সৃষ্টিজগতের কিছু আধ্যাত্মিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব দিয়ে থাকেন তাদেরকেই আমারা মোয়াক্কেল বলি।
ফেরেস্তা বা angel রাও সৃষ্টিজগতের সব কিছুর দায়িত্বে আছেন কিন্তুু তাদের ইচ্ছা শক্তি নেই সৃষ্টিকর্তা তাদের যে হুকুম দিয়েছে তারা তার বাইরে কিছুই করে না।
কিন্তুু মোয়াক্কেলদের ফ্রী ইউল বা ইচ্ছাশক্তি আছে তারা তাদের ক্ষমতা তাদের এবং সৃষ্টির কাজে ব্যবহার করতে পারে ইচ্ছা মতো।
মনি ঋষি এবং ওলি আউলিয়ারা মুলত এগুলোই করে থাকে ইলহাম এর মাধ্যমে। যেমন কোন রেস এর কেউ যদি তার ক্ষমতা নেগেটিভ ভাবে ব্যবহার করে মানুষের বা জগতের ক্ষতি সাধন করে সময় ভ্রমন করে কোন গুরুত্বপূর্ণ জিনিস পরিবর্তন করতে যায় তখন তাদের মোয়াক্কেল বা ফেরেস্তারা বাধা দেয় কারন তাদের কাজই এটা।
কোরআন এর প্রায় maximum সুরা এবং আয়াত এর সাথেই মোয়াক্কেল আছে। এমনকি আল্লাহর সব নামের সাথেই মোয়াক্কেল নিযুক্ত আছে। এদের মধ্যে জ্বিন আর স্পিরিচুয়াল রেস বেশি। এরা ওই সুরা বা আয়াত এর রক্ষক বা ওই সুরা বা নামের দাস হিসেবে কাজ করে।
যেমন সুরা ইখলাস এর সাথে প্রধান ৪ জন মোয়াক্কেল আছে কারন এই সুরার আয়াত সংখ্যা ৪ টি। তারা সবাই ইসলামি আকিদাধারী অতি উচ্চ ক্ষমতার মুসলিম জিন-সরদার বা বাদশাহ। যেহেতু সূরা ইখলাস পরম করুণাময় আল্লাহর একত্ববাদ [আহাদ] এবং অমুখাপেক্ষিতা [সামাদ] নিয়ে আলোচনা করে তাই এদের নাম আল্লাহর গুণবাচক নামের দাস হিসেবে রাখা হয়েছে
❄️ প্রধান ৪ জন জ্বিন মোয়াক্কেলের নাম:
📌 হযরত মালিক আব্দুল আহাদ [একের দাস]
তিনি এই চার মোয়াক্কেলের প্রধান বা দলনেতা বলা হয়। তিনি অত্যন্ত ধার্মিক ও পরহেজগার জিন-সরদার।
📌 হযরত মালিক আব্দুস সামাদ [ অমুখাপেক্ষীর দাস ]
তিনি দ্বিতীয় প্রধান মোয়াক্কেল
📌 হযরত মালিক আব্দুল ওয়াহিদ [ অদ্বিতীয়ের দাস ]
তিনি তৃতীয় প্রধান মোয়াক্কেল
📌 হযরত মালিক আব্দুল মজিদ [ পরম দয়ালুর দাস ]
তিনি ৪র্থ প্রধান মোয়াক্কেল
তারা হলেন সুরা ইখলাস এর প্রধান ৪ জন শক্তিশালী জ্বীন সেনাপতি / বাদশাহ মোয়াক্কেল। তাদের অধীনে আরও হাজার হাজার মুসলিম জিন-মোয়াক্কেল বা সাহায্যকারী বাহিনী থাকে। কোনো সাধক যখন এই সুরার মোয়াক্কেল সাধনা করে, তখন এই ৪ জন প্রধান জিন-সরদারের কেউ নিজে আসতে পারে, অথবা তাদের অধীনে থাকা অন্য কোনো সাহায্যকারী জিনকে পাঠাতে পারে। অনেক সময় ৩ জন আসে অনেক সময় ১ জন আসে আবার ৪ জন ও আসতে পারে কারন এর উপর নির্ভর করে। তবে ২/৩ জন প্রধান মোয়াক্কেলই বেশি আসে।
ইখলাসে মোট ৪৭টি আরবি বর্ণ হরফ আছে। প্রতিটি বর্ণ বা হরফের পেছনে একজন করে ছোট মোয়াক্কেল খাদিম বা দাস আছে। সূরা ইখলাসের আলিফ এবং লাম এর সাথে সম্পর্কিত মোয়াক্কেলরা সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী।
সাধারন জিকির আর মোয়াক্কেল সাধনার নিয়ম আকাশ পাতাল পার্থক্য আছে। জিন-সরদার আব্দুল আহাদ যখন সাধকের সামনে আসেন তখন তিনি শুভ্র পোশাক ও সাদা পাগড়ি পরা একজন অত্যন্ত বয়স্ক কিন্তু জ্যোতির্ময় বৃদ্ধ সুফির রূপে হাজির হন। তার পর সালাম দেন। তারা কোন চুক্তি করেন না শুধু সাহায্য করার জন্য আসেন আল্লাহর পক্ষ থেকে।
তারা মূলত আল্লাহর ইচ্ছায় সাধকের সব সমস্যার সমাধান করেন এমনকি অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানও করেন।
অনেক মানুষ মনে করে মোয়াক্কেল বস করা যায় আসলে তাদের বস করা যায় না। তারা একমাত্র আল্লাহর দাস। মানুষ যখন সুরা ইখলাস পরে আল্লাহর কাছে সাহায্য চায় তখন তারা ওই সুরার রক্ষক হিসেবে আল্লাহর পক্ষ হতে সাধককে সাহায্য করার জন্য আসে শুধু।
যারা বলে তারা মোয়াক্কেল বস করেছে তারা আসলে মোয়াক্কেল রুপে শয়তান জ্বিন বস করেছে। যারা না বুঝে কোন সঠিক গুরুর গাইডেন্স ছাড়া নিজে নিজে সবকিছু না জেনেই মোয়াক্কেলদের সাধনা করে তারা মূলত খারাপ কিছু শয়তান প্রকৃতির জ্বিন কে ডেকে আনে, আবার অনেকে সাধনায় ভুল করার কারনে পাগল ও হয়ে যায়। মোয়াক্কেল সাধনার অনেক গোপন নিয়ম আর মেথড আছে যা সাধারন মানুষ জানে না। পরে ভুল করে সাধনা করে বিপদে পরে।
আপনি যদি সব নলেজ নিয়ে এই সাধনা করেন তাহলে এটা অনেক সহজ কিন্তুু আপনি সব না জেনে করলে বিপদ ডেকে আনবেন নিজের। এটা সাধারন জিকির থেকে সম্পুর্ণ আলাদা জিনিস। ভুল ভাবে করলে কোন নেগেটিভ স্পিরিচুয়াল বিং আপনার সামনে মোয়াক্কেল সেজে এসে আপনাকে ধোকা দেবে আপনার ক্ষতি করবে। বলি চাইতে পারে তখন বলি না দিলে ক্ষতি করবে। তাই সব কিছু জেনে গুরুর সানিধ্যে এটা করা সেফ। আশে পাশে বা বইতে যে মোয়াক্কেল সাধনার নিয়ম থাকে এগুলো ৯৯% ই সঠিক না অনেক ভুল থাকে সঠিক নিয়ম থাকে না। এগুলো মূলত বই বিক্রি করার জন্য করে ওরা।
শুধু সুরা ইখলাস না কোনআন এর প্রায় সব সুরা এবং আল্লাহর সব নাম এর সাথে মোয়াক্কেল আছে তাদের সাধনা করার নিয়ম ও ভিন্ন ভিন্ন। এগুলো নিয়ে আলোচনা করলে সহজে শেষ হবে না।
যারা বলে মোয়াক্কেল বস করেছে তারা মূলত খারাপ জ্বিন বস করেছে নেগেটিভ চুক্তির মাধ্যমে। সঠিক মোয়াক্কেল সাধনার অনেক নিয়ম আছে এগুলো না জেনে করাই মানুষের জন্য ভালো।
আমি নিজে টাকা নিয়ে শেখালেও ভালো খারাপ মানুষ বুঝে আমার স্টুডেন্ট বানাই। নেগেটিভ মন মানসিকতার মানুষের আমি শেখাই না লক্ষ টাকা দিলেও আমি ফ্রিতেও আনেককে শেখাই ভালো মানুষ বুঝে। আর এখন ফ্রিতে এতো মানুষকে শেখানোর মতো পর্যাপ্ত সময় আমার কাছে নেই তাই দয়া করে কেউ আর ফ্রিতে শেখার জন্য যোগাযোগ করবেন না। এবং যখন তখন কল করবেন না। আমি নিজেও অনেক স্পিরিচুয়াল কাজে ব্যাস্ত থাকি। তাই যোগাযোগ করলে আগে মেসেজ বা ভয়েজ মেসেজ করবেন আমি সময় পেলে রিপ্লাই দেব।
আরো বহু স্পিরিচুয়াল অজানা জিনিস শিখতে এবং জানতে কোর্সে জয়েন করার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আপনি একজন গুরুর থেকে যেমন গাইডেন্স পাবার দরকার তার থেকে বেশি পাবেন আশা করি।
যোগাযোগ:
what'sapp: 01836608864
What'sapp: https://wa.me/8801836608864
what’sapp channel এ জয়েন করুনঃ https://whatsapp.com/channel/0029Vb8udkI0VycKsqRIku46
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট : https://www.hiddenworldcourse.xyz
ফেসবুক পেজ
https://www.facebook.com/share/19LTFjodJ4/
ফেসবুক গ্রুপ:
