​✨ সব ধর্মের গোপন ইতিকথা এবং 'রায়েদ' ভণ্ডের মুখোশ উন্মোচন ✨







ধর্ম এবং ঈশ্বর নিয়ে মানুষের ধারণার শেষ নেই। কিন্তু এই ধর্মগুলোর সৃষ্টি এবং প্রাচীন Cultivation Process বা শক্তি সাধনার পেছনের রহস্য নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। আজ আমরা অত্যন্ত গভীরভাবে জানার চেষ্টা করব কীভাবে পৃথিবীতে এই শক্তিগুলোর উত্থান হলো এবং কীভাবে আধুনিক যুগে কিছু ভণ্ড মানুষ এই নেগেটিভ স্পিরিচুয়াল এনার্জিকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।


মানুষ সৃষ্টির বহু আগে পরম সৃষ্টিকর্তা তাঁর ইবাদতের জন্য বেশ কিছু সূক্ষ্ম স্পিরিচুয়াল জাতি বা রেস পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—Hinn, Binn, Rimm, Timm এবং Jinn


এই স্পিরিচুয়াল প্রজাতিগুলোর মধ্যে বিশেষ করে Hinn, Binn এবং Timm কঠোর সাধন বা কাল্টিভেশন করে মারাত্মকমাত্রার শক্তির অধিকারী হয়ে উঠেছিল। তারা জ্বীন জাতির চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল।


কাল্টিভেশন করে অতিমাত্রায় পাওয়ারফুল হয়ে যাওয়ার পর এদের মধ্যে মারাত্মক অহংকার চলে আসে। তারা সৃষ্টিকর্তার ইবাদত ছেড়ে নিজেদেরই 'গড' বা ঈশ্বর ভাবতে শুরু করে এবং দুর্বল জ্বীন জাতিকে অত্যাচার করে জোরপূর্বক নিজেদের পূজা করাতে বাধ্য করে।


এদের এই সীমাহীন অধপতন এবং নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ-বিগ্রহের কারণে সৃষ্টিকর্তা ফেরেশতাদের (Angels) পৃথিবীতে পাঠান। ফেরেশতারা এই অহংকারী স্পিরিচুয়াল বিংদের অধিকাংশকেই ধ্বংস করে দেন, আর কিছু সত্তা বিভিন্ন দ্বীপে ও সাগরে পালিয়ে আত্মগোপন করে।



যুদ্ধ শেষে ফেরেশতারা আকাশমার্গে ফিরে যাওয়ার সময় জ্বীন জাতির একটি ছোট বাচ্চাকে নিজেদের সাথে নিয়ে যান।


ফেরেশতাদের সাথে থেকে এই ছোট জ্বীনটি এত পরিমাণ ইবাদত ও কাল্টিভেশন করেছিল যে, সে পরবর্তীতে ফেরেশতাদের সর্দার পদে উন্নীত হয়। এই জ্বীনটিই ইতিহাসে ইবলিশ বা লুসিফার নামে পরিচিত।


পরবর্তীতে পৃথিবীতে থাকা বাকি জ্বীন জাতিও 'Hinn,Binn,Timm দের মতো কাল্টিভেশন শুরু করে এবং নিজেদের গড ভেবে পৃথিবীতে রক্তপাত শুরু করে। এদের দমন করতে ইবলিশের নেতৃত্বে ফেরেশতারা পুনরায় অভিযান চালায় এবং অধিকাংশ শয়তান জ্বীন ধ্বংস হয়, আর বাকিরা পালিয়ে লুকিয়ে থাকে।


এরপর সৃষ্টিকর্তা তাঁর নিজ উদ্দেশ্যে মানুষকে সৃষ্টি করেন এবং ফেরেশতাকুলসহ ইবলিশকে আদেশ দেন মানুষকে সেজদা করতে। কিন্তু ইবলিশের ভেতরে থাকা অহংকার জেগে ওঠে। সে নিজেকে উচ্চতর ভেবে সেজদা করতে অস্বীকার করে শয়তানে পরিণত হয়।


মনে রাখা জরুরি ইবলিশ কোনো 'Fallen Angel' বা পতন হওয়া ফেরেশতা নয়। কারণ ফেরেশতাদের কোনো 'Free Will' বা স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি নেই; তারা সৃষ্টিকর্তার হুকুম অমান্য করতে পারে না। কেবল মানুষ, জ্বীন এবং আদিম Hinn, Binn, Timm প্রজাতিগুলোরই স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি বা Free Will রয়েছে।


পরাজিত হয়ে পালিয়ে যাওয়া সেই Hinn, Binn, Timm এবং শয়তান জ্বীনগুলো বিভিন্ন গোপন ডাইমেনশন বা ডোম এ লুকিয়ে থেকে যুগের পর যুগ কাল্টিভেশন করে আরও শক্তিশালী হয়।


এরা নিজেদের জন্য আলাদা আলাদা ডাইমেনশন বা ডোম (Dimensions) তৈরি করে নেয়। পরবর্তীতে এরা বিভিন্ন প্রজাতির সাথে বংশবৃদ্ধি এবং নানা প্রাণীর সাথে DNA Experiment করে অগুনতি অদ্ভূত ও শক্তিধর নতুন নতুন স্পিরিচুয়াল রেস তৈরি করে।


আদিম যুগের মানুষের যখন এসব সূক্ষ্ম জগত ও স্পিরিচুয়াল বিংদের নিয়ে কোনো নলেজ ছিল না, তখন তারা এই সত্তাগুলোর সুপারন্যাচারাল ক্ষমতা দেখে এদেরকেই সৃষ্টিকর্তা বা গড ভাবা শুরু করে।


মূলত মহাদেব, কালী, কৃষ্ণ, বিষ্ণু এগুলো ছিল সেই সময়ের শক্তিশালী স্পিরিচুয়াল নেগেটিভ কাল্টিভেটর রেস। হিন্দু ধর্মের মূল শিক্ষা একশ্বরবাদী হলেও, ৯০% মানুষ এসব শয়তানি স্পিরিচুয়াল বিংদের সৃষ্টিকর্তা মনে করার কারণে ধর্মটি বিকৃত হয়ে গেছে। পরম সৃষ্টিকর্তা তো একক, তাঁর কোনো নেগেটিভ দিক থাকতে পারে না; অথচ এদের নেগেটিভ দিকের শেষ নেই।


এই উচ্চশক্তির নেগেটিভ বিংগুলো সরাসরি মানুষের সামনে খুব কম আসে। এরা মূলত তাদের তৈরি করা নিম্নশ্রেণির কিছু লোয়ার ফ্রিকোয়েন্সি জ্বীনকে মানুষের কাছে পাঠায়।


যে কেউ নির্দিষ্ট নিয়ম বা উল্টাপাল্টা জপ করে টানা ১৪ দিন অনুশীলন করলে মনস্তাত্ত্বিক Trance State বা Astral Realm এ গিয়ে এসব নিম্নমানের শয়তান মহাদেব, কালী, কৃষ্ণ, বিষ্ণু জ্বীনদের সাথে কানেক্ট হতে পারে, কথা শুনতে পায়।


এই লোয়ার জ্বীনগুলো মানুষের সাথে থাকা জন্মগত 'ক্বারিন জ্বীন'-এর সাথে যোগাযোগ করে মানুষের অতীতের যেকোনো ঘটনা নিখুঁতভাবে বলে দিতে পারে। আর মানুষের কাছে এটাই মহা অলৌকিক ক্ষমতা মনে হয়! অথচ তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে কেবল বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্য দেয়।


🚫 'রায়েদ' ভণ্ডের মুখোশ উন্মোচন ও শয়তানি চাল


সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় 'রায়েদ' নামের এক ভণ্ডকে নিয়ে প্রচুর কথা হচ্ছে, যে নিজেকে 'মহাবিষ্ণু' দাবি করে এবং তথাকথিত 'ইলহাম'-এর নাম দিয়ে মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে। এর পেছনের আসল রহস্যটা কী?


একজন প্রকৃত আধ্যাত্মিক গুরুর প্রধান লক্ষণ হলো তাঁর ভেতর ইতিবাচক এনার্জি থাকবে। কিন্তু রায়েদ প্রতিনিয়ত যে ধরনের নোংরা গালি ব্যবহার করে, তা এক একটি খাঁটি নেগেটিভ এনার্জি। সে নিজে কখন কী বলে তার কোনো ঠিক নেই, একজন সুস্থ মানুষ তার কথা শুনলে পাগল মনে করবে।


রায়েদের কোনো চক্র (Chakras) ওপেন নেই। সে কেবল Trance State-এ গিয়ে কিছু নিম্নমানের শয়তান মহাদেব, কালী, কৃষ্ণ, বিষ্ণু জ্বীনের সাথে কথা বলতে পারে। এই শয়তান জ্বীনগুলোই তাকে ভুল ইনফরমেশন দিয়ে ধোঁকায় রেখেছে এবং তাকে দিয়ে মানুষের ক্ষতি করাচ্ছে।


রায়েদ মানুষকে যে মন্ত্রগুলো পড়তে বলে, সেগুলো মূলত শয়তান জ্বীনকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করার এক্সেস (Access) দেওয়ার মন্ত্র। মানুষ যখন এই মন্ত্র পড়ে, তখন শয়তান মহাদেব, কালী, কৃষ্ণ, বিষ্ণু জ্বীন এসে তার শরীরে আস্তানা গাড়ে এবং ইলহামের নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। সে মূলত সাহায্যের বাহানায় মেয়েদের কথার জালে ফাঁসিয়ে অসামাজিক কাজ করে।


ভণ্ড রায়েদ দাবি করে সে নাকি সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহকে দেখেছে! অথচ পবিত্র ইতিহাসে স্পষ্ট বলা আছে—হযরত মুসা (আ:) আল্লাহর সামান্য নূরের আলো সহ্য করতে না পেরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং তূর পাহাড় ভস্ম হয়ে গিয়েছিল। পরম সৃষ্টিকর্তার নূরের আলো এত প্রখর যে কোনো মানুষের পক্ষে তাঁর দিকে চোখ তুলে তাকানো সম্ভব নয়।

​তাহলে রায়েদ যাদের কে দেখে বা যাদের সাথে কথা বলে ‘মহাবিষ্ণু’ সাজছে, তারা মূলত নিম্নমানের কিছু শয়তান স্পিরিচুয়াল বিং বা জ্বিন ছাড়া আর কিছুই নয়!


সৃষ্টিকর্তা একক ও নিখুঁত যাঁর ভেতর কাম, ক্রোধ, হিংসা বা নেগেটিভ দিক আছে তিনি কখনোই সৃষ্টিকর্তা হতে পারেন না। পরম সৃষ্টিকর্তা পরম পবিত্র। আর এসব স্পিরিচুয়াল বিং যেমন মহাদেব, কালী, কৃষ্ণ, বিষ্ণু, নাগ এগুলোর নেগেটিভ দিক এর অভাব নেই।


এগুলোর কিছু নেগেটিভ দিক তুলে ধরছি:


🚫 মহাদেব বা শিব (মারাত্মক লেভেল এর শয়তান স্পিরিচুয়াল বিং)


নেগেটিভ দিক-

 অবিচার করে বরদান (অসুরদের মদদ দেওয়া): শিব সহজেই সন্তুষ্ট হয়ে রাবণ, ভস্মাসুর, তারকাসুর ও মহিষাসুরের মতো চরম অত্যাচারী অসুরদের বরদান করতেন। এর ফলে তারা পৃথিবীতে ধ্বংসলীলা চালাত এবং পরবর্তীতে অন্য দেবতাদের এসে কৌশল করে সেই বর নিষ্ক্রিয় করতে হতো।


🚫 দেবী কালী ( Hinn প্রজাতির জ্বিন)


নেগেটিভ দিক-

অনিয়ন্ত্রিত রক্তপিপাসা ও তাণ্ডব: রক্তবীজ নামক অসুরকে হত্যার পর রক্ত পানের মাধ্যমে কালীর ভেতরে এমন উন্মাদনা সৃষ্টি হয় যে, তিনি শয়তান-সাধু নির্বিশেষে সবাইকে মারতে শুরু করেন। তাঁকে থামাতে শিবকে তাঁর পায়ের নিচে শুয়ে পড়তে হয়েছিল।


🚫 শ্রীকৃষ্ণ ( Blue Avian প্রজাতির শয়তান হাইব্রিড স্পিরিচুয়াল বিং )


নেগেটিভ দিক -

গোপীদের বস্ত্রহরণ ও কায়িক চপলতা: ভাগবত পুরাণে ছোটবেলায় যমুনা নদীতে স্নানরত গোপীদের বস্ত্র লুকিয়ে গাছের ওপর বসে থাকার ঘটনাকে অনৈতিক ও নারীদের শালীনতা লঙ্ঘনের শামিল বলে তীব্র সমালোচনা করা হয়।


🚫 মহাবিষ্ণু বা বিষ্ণু ( চরম লেভেলের শয়তান)


নেগেটিভ দিক-

বৃন্দার সতীত্ব নাশ (ছলনা): রাক্ষসরাজ জ্বলন্ধরকে মারতে না পেরে বিষ্ণু ছদ্মবেশে জ্বলন্ধরের রূপ ধরে তাঁর সতীপ্রাণা স্ত্রী 'বৃন্দা'র সাথে সহবাস করেন এবং তাঁর সতীত্ব নষ্ট করেন।


একসাথে দেখলে-


📌 মহাদেব -- চরম অনিয়ন্ত্রিত রাগ, ভুল মানুষকে বরদান, গণেশ ও ব্রহ্মার মাথা কাটা।


📌 দেবী কালী -- অনিয়ন্ত্রিত রক্তপিপাসা, বীভৎস হিংস্রতা, নরমুণ্ড ও নরবলির সাথে সম্পৃক্ততা।


📌 শ্রীকৃষ্ণ -- যুদ্ধের ছলনানীতি, অন্যের স্ত্রী/গোপীদের সাথে রাসলীলা ও গোপীদের বস্ত্র হরণ।


📌 বিষ্ণু বা মহাবিষ্ণু -- ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা (মোহিনী/বামন), নারীর সতীত্ব নাশ (বৃন্দা) এবং অসৎ উপায়ে জয়।


এসব আদিম যুগের Hinn, binn, timm, rimm প্রজাতির কিছু স্পিরিচুয়াল বিং। এরা আদতে সৃষ্টিকর্তা নন, বরং আদিম যুগের কিছু উচ্চশক্তির নেগেটিভ কাল্টিভেটর বা ডাইমেনশনাল বিং। পরম সৃষ্টিকর্তার নামের সাথে এসব চরিত্রকে মেলানো কেবলই ভণ্ডামি ও শয়তানি জ্বিনের ধোঁকা মাত্র।



এসব স্পিরিচুয়াল বিং দের মধ্যে সবই খারাপ হবে এমন না কিছু ভালো স্পিরিচুয়াল হায়ার ডাইমেনশনাল বিং ও আছে যেমন অপ্সরা,যোগীনিদের মধ্যে যেমন নেগেটিভ প্রজাতি আছে আবার পজেটিভ প্রজাতি ও আছে যারা মানুষের cultivation এ সাহায্য করতে পারে এবং মানুষের জাগতিক উন্নতির জন্য ও সাহায্য করে বন্ধুর মতো।


পজিটিভ হায়ার ডাইমেনশনাল বিং: অপ্সরা ও যোগিনী তত্ত্ব


​তবে আধিভৌতিক বা হায়ার ডাইমেনশনাল ওয়ার্ল্ডের সব সত্তাই যে খারাপ বা নেগেটিভ তা নয়। যেমন বিভিন্ন ডাইমেনশনে থাকা অপ্সরা (Apsara), যোগিনী (Yogini) বা অন্যান্য আলোকপ্রাপ্ত স্পিরিচুয়াল প্রজাতির মধ্যেও খারাপ এবং ভালো প্রজাতি রয়েছে:


​১. নেগেটিভ প্রজাতি (Dark Entities)

​এরা মানুষকে কাম, মোহ ও অলৌকিক ক্ষমতার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ইনার এনার্জি বা চক্রের শক্তি শোষণ করে। মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করাই এদের প্রধান কাজ।


​২. পজিটিভ প্রজাতি (Positive / High-Frequency Beings)


​বন্ধুভাবাপন্ন সত্তা: পজিটিভ অপ্সরা বা যোগিনী প্রজাতিগুলো উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির শান্ত ও ইতিবাচক শক্তিসম্পন্ন হয়ে থাকে।


​Cultivation-এ সহযোগিতা: মানুষ যখন সঠিক নিয়মে ধ্যান বা আত্মশুদ্ধির চর্চা করে, তখন এরা সাধককে মানসিক ভারসাম্য রক্ষা, আত্মিক জ্ঞান বৃদ্ধি এবং জাগতিক প্রসারে বন্ধুর মতো পরামর্শ বা ইতিবাচক গাইডেন্স দিয়ে সাহায্য করে।


​উন্নতিতে সহায়ক: এরা মানুষের শরীরে অশুভ প্রভাব বা আস্তানা তৈরি করে না, বরং বাইরে থেকেই একটি সুষম ও সুরক্ষামূলক এনার্জি ফিল্ড (Aura) বজায় রাখতে সাহায্য করে।


​ভণ্ডদের এড়িয়ে চলুন যারা তথাকথিত ইলহাম বা অলৌকিকত্বের দোহাই দিয়ে গালিগালাজ করে, নোংরা কথা বলে বা অচেনা মন্ত্র পড়তে দেয় তারা মূলত শয়তান জ্বীনের অনুসারী।


​সচেতনতাই আত্মরক্ষা অজানা কোনো ধ্যানে গিয়ে বা অর্থ না জেনে মন্ত্র জপ করে নিজের আত্মরক্ষামূলক অরা (Aura) নষ্ট করবেন না। সুস্থ বিচারবুদ্ধি ও সত্যের ওপর বিশ্বস্ত থাকাই হলো প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা।


আধ্যাত্মিক জগতের মূল নিয়ম হলো সৃষ্টিকর্তা এক ও পরম পবিত্র। আর তাঁর তৈরি বিভিন্ন ডাইমেনশনে হাজারো স্পিরিচুয়াল প্রজাতি বিদ্যমান। কোনটি খারাপ আর কোনটি ভালো তা চিনতে হয় তাদের গুণাবলী, আচরণ এবং ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে। অপ-শক্তির ধোঁকায় না পড়ে পরম সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস রাখা এবং পজিটিভ এনার্জির সাথে যুক্ত থাকাই প্রকৃত আধ্যাত্মিকতার পথ।

Previous Post Next Post